ক্রিপ্টোকারেন্সি – এক নতুন পৃথিবীর জন্য

#Translation #Bengali

You can read the original article in English by Terence-Hari Fernandes titled ‘Cryptocurrency for a New World’  here. You can also read the companion piece to this article “The Human in the Blockchain” here.

‘এক নতুন যুগ আসন্ন এই পৃথিবীর বুকে । কি করে আমরা পারবো তাকে প্রেমময় ও স্নেহশীল করে তুলতে ?’

Cryptic Cryptocurrency Creeps

ক্রিপ্টোকারেন্সি – এক নতুন পৃথিবীর জন্য
বাংকসির আঁকা বিখ্যাত প্রতিবাদী চিত্র ‘লাভ ইজ ইন দ্যা এয়ার’ (Love is in the Air) বিক্রি হয়েছে ১২.৯ মিলিয়ন ডলারে – বিশ্বে এই প্রথম কোনো প্রাকৃতিক ছবি কেনার জন্যে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার করা হয়েছে ।

কিছু অর্থনৈতিক রাঘব-বোয়ালদের সাথে আমার যে সমস্যা, তাই আমার এই ব্যক্তিগত মন্তব্য পত্রটির মূল আলোচ্য বিষয় – আমি তাদের নাম দিয়েছি “ক্রিপ্টো ক্রীপস” (“Crypto Creeps”) । তারা ব্লকচেইন ও ক্রিপ্টোকারেন্সির কল্যাণ-মন্ত্র আবৃত রেখেছে এক জটিল পরিভাষার অন্তর্জালে যা আপামর সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা অসম্ভব। শাসরুদ্ধ–করা বর্তমান ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ পরিবর্তন করার যে সম্ভাবনা রয়েছে ব্লকচেইন ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মধ্যে, তাও ক্রমে ভস্মীভূত হচ্ছে এই জটিলতার হুতাশনে । এই প্রতিবেদনটি নিবেদিত সেই সমস্ত সাধারণ মানুষের প্রতি, যাদের এক সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন ধুলিচাপা পড়ছে প্রতিনিয়ত

আজ সমগ্র বিশ্ব পদ্মপাতায় এক শিশিরবিন্দুর ন্যায় টলমল করছে, যেখানে কোনো জিনিস ও তা কিভাবে আমাদের কাছে মূল্যবান হয়ে ওঠে এবং আমাদের স্বয়ং-এর মূল্য – এর মধ্যে এক রূপান্তর দেখা দিচ্ছে। অথচ এর টুঁ-শব্দটি পর্যন্ত আপনারা পাবেন না, কারণ এই পরিবর্তনের যারা কাণ্ডারি তারা সেই খবর ও তার সুবিধার কথা ধামাচাপা দিয়ে  রেখেছে রেকাবি মকমল ভাষার আড়ালে ।

এর ফলস্বরূপ মানব সভ্যতার ইতিাসের এই নব প্রস্ফুটিত মাহেন্দ্রক্ষণে, যে কোনো নতুন চিন্তা-ভাবনার প্রবেশপথে পড়েছে এক নিষেধাজ্ঞা । আভে (Aave), একটি নামী বিকেন্দ্রিত অর্থ সংস্থান — DeFi, নিজেকে ব্যাখ্যা করে খানিকটা এইভাবে : আভে হলো একটি বিকেন্দ্রিত, তত্বাবধান-শুন্য, চলতি বা তারল্য সম্পদের প্রটোকল যেইখানে গ্রাহকেরা অর্থ ঋণ ও জমা দুই করতে সক্ষম ।

সহজ করে বললে আভে কোনো একজন ব্যক্তির দ্বারা চালিত নয় (বিকেন্দ্রিত), এটির কোনো নিজস্ব ওয়ালেট বা মানিব্যাগ নেই – আপনি আপনার সমস্ত লেনদেন নিজের পছন্দসই ওয়ালেটের দ্বারা করতে পারেন যা অন্যকারুর নিয়ন্ত্রণের অধীনের বাইরে (তত্বাবধান-হীন), এতে বিকল্প ব্যবস্থা-স্বরূপ অন্য লোকেদের থেকে প্রাপ্ত অর্থ রাখা আছে (তারল্যতা), আপনার সাথে এইসব জিনিসের যোগাযোগ কয়েকটি নিয়মের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত যা প্রতি মুহূর্তে আপনাকে এই প্লাটফর্মটি আপনার মত করে ব্যবহার করতে সাহায্য করে (প্রটোকল)। ফিনল্যাণ্ডের ভাষায়ে আভে শব্দটির মনে হলো প্রেতাত্মা। অথচ দেখে মনে হয়ে আভে চায় না এই সমস্ত তথ্য আপনার অবগত হোক, আর তাই তার সঙ্গার্থ অমন গুরুভার ।

প্রশ্ন জাগে, আভে তাহলে আপনাকে ঠিক কি করতে সাহায্য করে ? ধার করতে, অর্থাৎ লোন নিতে সাহায্য করে ।কারণ ওদের অনুমান আপনার ধার করতে ভালো লাগে । ঋণের টাকায় আপনি বিলাসবহুল সামগ্রী কিনতে পারেন অতি সহজেই, যা আপনার নিজের থেকে রোজগার ও সঞ্চয় করে কিনতে গেলে এক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার হতো । এই লোন ব্যাপারটি শুভ সেই অর্থনীতির জন্যে, যার মুলে রয়েছে আপনাকে দিয়ে অর্থ ব্যয় করানোর এক বিশেষ আকাঙ্খা । অবশ্যই, কারণ কর্মসংস্থান তৈরি করে, বাস্তবানুগভাবে আপনাকে এই সমস্ত জিনিসগুলি কিনতে সক্ষম করে তোলার থেকে অনেক বেশি শ্রেয় এই ঋণ-ব্যবস্থা; কিন্তু এতে ঘটছে এক বিকট ছন্দ্যপতন: কারণ একদিকে যেমন আমরা দ্রুত গতিতে ও কম খরচে অত্যন্ত দামী জিনিসের নির্মাণ করে চলেছি, অন্যদিকে আমাদের অবস্থা বা আয় করার ক্ষমতা রয়ে গিয়েছে অপরিবর্তিত । অর্থাৎ দেখা যায়, এই লোন ব্যাপারটি শুভ তাহলে সেই অর্থনীতির জন্যে যা চায় আপনি অর্থ ব্যয় করুন কিন্তু আপনার উপার্জন ক্ষমতার থেকে দ্রুতগতিতে । 

এর করণটি হলো মানুষ যেমনটি পায় তেমন একটি কাজ করে, বেশিরভাগ সময় বাধ্য হয়ে করতে, আর বহুমূল্য বস্তুর প্রতি তার ক্ষুদা অপরিসীম হয়ে ওঠে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে । এই পুরো ব্যাপারটার মধ্যে একটা অসংগতি রয়েছে, ভালো করে খুঁতিয়ে দেখলে পর বোঝা যাবে, যে বিজ্ঞাপন আসলে মানবাধিকার ও রাজ্য বিরোধী, কিন্তু এই বিষয়ে গান্ধারী হয়ে থাকতেই সবাই ভালবাসে: সমস্ত কিছু দেখে ফেলার ফল হতে পারে মারাত্বক । 

ঋণ অর্থনীতির জন্যে মঙ্গলময় হতে পারে, ব্যক্তিবিশেষের জন্যে নয় । কেনো ? কারণ ঋণ, এই শব্দ ও ব্যবস্থাটির মধ্যে অন্তর্নিহিত রয়েছে এই ধারণা যে আপনি দেনাটি শোধ করতে পারবেন । ধরুন আপনি একটি মোটা অঙ্কের টাকা ধার করেছেন, আপনার স্বপ্নের বাড়ি বা গাড়ি কেনার জন্যে, যেইটি পুরোপুরি শোধ করতে আপনার বহুদিন সময় লাগবে । মহাজন বা ঋণদাতা আপনার বর্তমান জীবনাবস্থা, চাকরি, সামাজিক পরিস্থিতি, ইত্যাদি বিচার করে নিশ্চিন্ত থাকে, যে আপনি ঠিক সময়মতো আপনার টাকাটি শোধ করে দেবেন । কিন্তু হটাৎ বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় এসে উপস্থিত হয়ে বিপদকাল: দুর্ভিক্ষ, রাজনৈতিক ডামাডোল, পুঁজিবাজারে ধস, যুদ্ধ, অন্তর্বিপ্লব । তখন ? আপনি ঋণ শোধ করতে ব্যর্থ হোন, এবং এর ফলে হারিয়ে ফেলেন সবকিছু । 

লোন, ঋণ ব্যবস্থার মধ্যে আকস্মিক বা অপ্রত্যাশিত কোনো কিছুকে স্থান দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাই যদি এমন কিছু অনুপেখিত ঘটে তবে এই সম্পূর্ণ পদ্ধতিটি বিনষ্ট হয়ে । যখন সমস্ত বিশ্বজগৎ দিনে দিনে আরো অনিশ্চিত হয়ে উঠছে, তখন এমন এক নশ্বর ও ক্ষণভঙ্গুর ব্যাবস্থা আমাদের মনে শঙ্কা উদ্রেকের কারণ হয়ে দাঁড়ায় । 

বর্তমান বিশ্বঅর্থনৈতিক নীতি-প্রণালী ব্যস্তবিক জগৎ ও মানুষের থেকে বহু দূরে অবস্থিত । এবার আমরা যদি ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ‘আর্থিক বাজার’-এর ( Money Markets – অন্য লোকের রাখা অর্থ যা লোন দিতে সহায়তা করে) বীজ বপন করি, এই বর্তমান প্রেক্ষাপটে, তবে পুনরায় এমন এক ব্যাবস্থার জন্ম হবে, যার অশনি সংকেত সমগ্র বিশ্ব দূর ভবিষ্যতে বুঝতে পারবে । 

এই ক্রিপ্টোকারেন্সির বিষয়টি, প্রকৃতপক্ষে এমন এক সুযোগ হওয়া উচিত, যা আমাদেরকে, মানুষ হিসেবে, মৌলিকভাবে সাহায্য করবে মূল্য (value) বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে । কি এই মূল্য বা মান : এমন এক ভাব-ধারণা যা কোনো জিনিসের গুরুত্ব (worth) বিচার করে অন্য কোনো বস্তু বা জিনিসের দ্বারা । অন্যভাবে যদি বলি : এটি হলো ‘এমন এক চিন্তাশক্তি যার দরুন আমরা কোনো এক জিনিসের তাৎপর্যতা (important) উপলব্ধি করি ।’

কিন্তু ‘তাৎপর্য’ অনেক বেশি গম্ভীর শব্দ ‘গুরুত্ব’ শব্দটির তুলনায় – কেনো ? কারণ ‘গুরুত্ব’, এই শব্দটি বোঝায় যে কোনো কিছুর মূল্য নির্ধারিত হয় অন্য কোনো কিছু দিয়ে এবং এই মাপকাঠি দুজন ভিন্ন ব্যক্তির সম্মতি-সম্পন্ন । এই ধরুন পণ্যবিনিময়ের সময় আপনি একটি জিনিস কিনছেন, সেই জিনিসটির মূল্য হবে যা সম্মত ভাবে ঠিক হয়েছে, সাধারণত যা ঠিক করে থাকে সেই ব্যক্তি যে সেই জিনিসটি নির্মাণ করেছে । এমনটি সম্ভব কি করে ? টাকার উদ্ভাবনের মাধ্যমে ।

তাৎপর্য – এই শব্দটি বোঝায় যে আমার কাছে যেই জিনিসটি রয়েছে এবং আপনার কাছে যেইটি রয়েছে, তা কেবলমাত্র আপনার বা আমার একার কাছে মূল্যবান নয়, তা আমাদের একে-অপরের কাছে মূল্যবান । হয়তো আমার কাছে যেই জিনিসটা আছে সেইটি আমার তুলনায় আপনার কাছে অধিক তাৎপর্যপূর্ণ এবং আপনার কাছে যা রয়েছে তার মূল্য আমার কাছে বেশি, আপনার কাছে কম । তখন আমরা সেই জিনিসগুলির লেনদেন (পরস্পরকে দেওয়া) করে প্রসন্নচিত্তে নিজ গৃহে ফিরে যাই । লোন, দেনা, সুধ, গুপ্ত খরচ, রেটিনা স্ক্যান, আঙ্গুলের ছাপ – এই সমস্ত কিছুই তখন নিষ্প্রয়োজন । আমরা যে তখন একে-অন্যের সহযোগী হয়ে উঠি, একসাথে কাজ করি, কারণ আমাদের দুজনের জন্যেই তা সমান তাৎপর্যপূর্ণ । 

স্বাভাবিকভাবেই আপনার মনে হতে পারে এখন যে এমনটি হলে আপনার চাহিদাগুলো মিটবে না কোনোদিন, কারণ আপনাকে সবার প্রথমে এমন একজন কে খুঁজতে হবে যে মনে করে আপনার কাছে যা রয়েছে তার মূল্য তার কাছে রাখা জিনিসের তুলনায় অনেক বেশী । আপনার এহেন চিন্তার বিরুদ্ধে আমার বক্তব্য একটাই : সর্বপ্রথম আমাদের ঠিক কি চাই তার পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে । 

বিজ্ঞাপনের কুমন্ত্রায় আজ আমরা সেই সমস্ত বস্তুর আকাঙ্খায় লিপ্ত যা আমাদের কেনার ক্ষমতার বাইরে । বস্তুত আমাদের সেই সমস্ত জিনিসের প্রয়োজনীয়তাই নেই, কারণ তাই যদি থাকতো তবে আমরা নিজেদের বা অন্যের জীবন সংকটে ফেলে সেই জিনিস লাভ করার চেষ্টা করতাম না । এখন তাই এই মূল্য বিষয়টির পুনর্বিবেচনা করা দরকার, টাকাকে দূরে সরিয়ে রেখে ক্ষণিকের তরে আমাদের ভেবে দেখতে হবে যদি ক্রিপ্টোকারেন্সি বিষয়টি অন্য আলোয় আবিষ্কার করা যেতে পারে, যাতে সেইটি নিছক বর্তমান অর্থ ব্যবস্থার বিকল্প না হয়ে ওঠে ।

ব্লকচেইন হলো সর্বজনীন ব্যবহার-যোগ্য মূল্যের উৎপাদক । অথচ মূল্য, চাহিদা (মানব জীবনে কোনো কিছুর প্রয়োজনীয়তা) ছাড়া কিছুই না, আর তাই যদি আমরা টাকার বিকল্পে ক্রিপ্টোকারেন্সি স্থাপন করি, তবে আমরা পুনরায় বর্তমান বিশৃঙ্খলার – যা হাতের বাইরে চলে গেছে – এক ডিজিটাল সংস্করণ সৃষ্টি করবো । এই ব্লকচেইনের দ্বারা, ও তার উপর ভিত্তি করে, নির্মিত মূল্যের এক প্রধান উদাহরণ হলো এনএফটি । এমন কি আদৌ সম্ভব যে মূল্যের আদান-প্রদান একদিন কেবলমাত্র আরো পাওয়ার উদ্দেশ্যে অনুপ্রাণিত হবে না । 

ক্রিপ্টো ক্রীপসেরা তোয়াক্কাও করে না যে আপনি সম্পূর্ণ বিষয়টি জানতে পারলেন কি না — যদি এই সমস্ত কিছু কেবল সাবরেডিটএর মিম হয়েই থেকে যায় সেটাই তাদের পক্ষে শ্রেয় কারণ এক নতুন পৃথিবী গড়ে তোলার স্বপ্ন তাদের নয় । আর আপনি যদি দৈবক্রমে জেনে যান, তবে তারা চায়, আপনিও তাদের মত এই দ্রুত ধনী হয়ে ওঠার প্রকল্পে অংশীদার হয়ে উঠুন । এই ক্রিপ্টোকারেন্সির জগতটিকে বর্তমানে এরা এমনি রূপদান করেছে । অর্থ বিষয়টিকে তারা নতুন ধারায় ভাবতে অক্ষম এবং তার প্রভাব পড়ছে সমগ্র বিশ্বের উন্নতির গতিপথে, আমাদের ওপর এবং সমস্ত সমাজের ওপর । 

এখন প্রয়োজন সাধারণ মানুষের তৈরি উদ্যোগী সংগঠনের, যারা জিনিস তৈরি করবে, এবং তা শুধুমাত্র বিক্রি হবে, পরিবর্তে তারা জিনিস দেবে এবং অন্য জিনিস পাবে তার বিনিময় । ব্লকচেইন মানব জাতিকে পুঁজিবাদের ঘন কুয়াশা থেকে এনে দিতে পারে মুক্তি, বিচ্ছিন্নতা দূর করে আবার সু-স্পষ্ট এক জীবন অভিজ্ঞতার সৃষ্টি করতে পারে । 

কিন্তু তাহলে এই ক্রিপ্টো ক্রীপসেরা তাদের ফাইন্যান্স ডিগ্রী বা এম.বি.এ নিয়ে বিনিয়োগ ব্যাংকিং ব্যবস্থার ব্লকচেইন সংস্করণ তৈরি করতে পারবে না যা কেবল প্রতিনিয়ত ক্র্যাশ করতে থাকে । আমাদের কি চাই, এর থেকেও দরকার এটা জিজ্ঞেস করার যে আমাদের কি প্রয়োজন । ভাবতে হবে সহযোগিতার সাথে, উৎপাদনশীল হয়ে, কি করে পাবো আমরা এই সমস্ত কিছু ? আর স্নেহশীল হতে হবে আমাদের । 

নতুন এক ভোর আসছে পৃথিবীর বুকে, আপনার নিদ্রা ভাঙার অপেক্ষা করবে না সে । এই নতুন পৃথিবীর অর্থনৈতিক নীতিতে স্নেহ শব্দটি থাকবে কিনা তার বিবেচনার সঠিক সময় এটাই । বড়ো বড়ো কারখানা ভেঙেছে পড়ছে, ক্রমে তার জায়গায় জন্ম নিচ্ছে বিকেন্দ্রিত (কোনো একজনের অধীনে নয় এমন), ওপেন-সোর্স (অভ্যন্তরীণ সমস্ত কর্মকাণ্ড গুপ্ত নয় বা কোনো একজনের অধীনে নয় এমন) ব্যাবস্থা যা ধনী-কুবেরদের আধিপত্যের বিনাশ ঘটাবে, আমাদের মনের মধ্যে স্নেহের বীজ বপন করবে । 

ক্রিপ্টো ক্রীপস-দের এখন তাদের লগ্নী ও অর্থনৈতিক দিস্কর্ড চ্যানেলগুলি বন্ধ রেখে এই আসন্ন নতুন পৃথিবীর সম্বন্ধে ভাবা আরম্ভ করা উচিত, যা হবে পুরনো জগতের থেকে আলাদা, Friedman-এর স্বপ্নে রাঙা । নইলে আমাদের ছিনিয়ে নিতে হবে এই অধিকার ওদের জটিল পরিভাষার অন্তর্জাল হতে । 

এক নতুন যুগ আসন্ন এই পৃথিবীর বুকে । কি করে আমরা পারবো তাকে প্রেমময় ও স্নেহশীল করে তুলতে ? 


TP1 Aadrit Banerjee edited

Translated by Aadrit Banerjee

Aadrit, born and brought-up in Kolkata, loves to dream! He is presently pursuing his undergraduate degree in English Hons. from Ramjas College, University of Delhi. Passionate about the art of writing, Aadrit has several accolades to his name in the fields of creative writing and journalism. He takes a great interest in studying Tagore, in academic research, poetry and loves to eat, sleep, doodle and paint.


Note: If you find any ways to make this translation better, please write to us at theblahcksheep@gmail.com

WhatsApp
Facebook
Twitter
LinkedIn
Email

Related Articles

Scroll to Top